১৮০০/২০০০ বর্গফুটের এক তলা বিল্ডিং না বানিয়ে রুম টয়লেট সংখ্যা সেইম রেখে ৮০০/৯০০ বর্গফুটের দোতলা বানান।

 যাদের সামর্থ আছে, বড় করে এক তলা বিল্ডিং না বানিয়ে সম্ভব হলে ছোট করে ডুপ্লেক্স বিল্ডিং বানান। গাছপালা ,সবুজ বাগানের জন্য বাকি জায়গা ছেড়ে দেন। বাড়ির আশেপাশে গাছপালা থাকলে বাসা ঠান্ডা থাকবে, বসবাস করে ভাল লাগবে। গাছপালার দিকে বড় বড় জানালা ,বারান্দা দেন। নীচতলায় ড্রইং, ডাইনিং, কিচেন, বেডরুম, দোতলায় বেডরুম আর ফ্যামিলি লিভিং। চাইলে টেরাস বারান্দা দেয়া যায়। টেরাস থেকে ছাদে যাওয়ার সিড়ি দেয়া যায়। উপরে নীচে প্রাইভেসী মেইনটেইন হয় আবার কমন এরিয়াতে একতলার ছাদে ভয়েড দিলে নীচতলা-দোতলার যোগাযোগ রক্ষা হয়।

১৮০০/২০০০ বর্গফুটের এক তলা বিল্ডিং না বানিয়ে রুম টয়লেট সংখ্যা সেইম রেখে ৮০০/৯০০ বর্গফুটের দোতলা বানান। খরচ প্রায় কাছাকাছি । কিছু ক্ষেত্রে ডুপ্লেক্সে খরচ কম। গ্রাউন্ড ফ্লোর বা একতলা যত বড় হবে মাটির কাজ, ফাউন্ডেশন, খরচ তত বাড়বে। খরচ কমানোর জন্য মাটির কাজ কমাতে হবে। তাতে জমিও বাচবে।
ডুপ্লেক্স এর অনেক সুবিধা, দেখতে সুন্দর, আলো বাতাস বেশি, নীচতলায় গরম কম, দোতলায় পোকামাকড় মশা কম। প্লাম্বিং স্যানিটারি কাজে খরচ কমে কিছু ক্ষেত্রে। ডুপ্লেক্সের নীচতলায় পানির প্রেশার ভাল পাওয়া যায়। আর বাজেট সংকট থাকলে নীচতলা দোতলা ভাগে ভাগে কন্সট্রাকশন করা যায়।
পাকা বাড়ি মানেই অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ও ডিজাইনার এর মাধ্যমে ড্রইং ডিজাইন কম্পলিট করে বাড়ির কাজ ধরতে হবে সেটা ভুলে গেলে চলবে না।

Post a Comment

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post